মঙ্গলবার |
ঢাকা ১৭ নভেম্বর ২০০৯ |
৩ অগ্রহায়ণ ১৪১৬ |
২৮ জিলকদ ১৪৩০
শেষের পাতা
সাবি্বর নেওয়াজ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষরা ঝুঁকি ভাতা পাবেন। বাড়ছে সব শিক্ষকের চাকরির বয়সসীমাও। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন 'বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ'-এর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এ ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হয়ে তা বাস্তবায়নে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
ইউজিসি সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষের কোনো ধরনের ভাতা বা সম্মানীর বিধান নেই। তারা তাদের নিজ নিজ বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। ইউজিসি ওই তিনটি নির্বাহী পদের শিক্ষকদের ৩০ শতাংশ ঝুঁকি ভাতা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে।
বর্তমানে ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশে পরিচালিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির বয়স ৬৫ বছর। দেশের অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষকদের চাকরির বয়সসীমা এখনও ৬০ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদগুলোতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা পদ-পদবি, বাড়ি-গাড়ি ও সম্মান ছাড়া আর কোনো আর্থিক সুবিধা পান না। অথচ হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ও প্রতিটি ক্যাম্পাসে দেড় ডজনেরও বেশি ছাত্র সংগঠনকে নিয়ে প্রতিনিয়ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পরিচালনা করতে হয়। সংঘর্ষ, হামলা, মারামারির মধ্যে তাদের ছুটে যেতে হয় সেগুলো থামাতে। এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেও তারা কোনো ঝুঁকি ভাতা পান না। এ জন্য 'বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ' সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে ঝুঁকি ভাতা প্রদান, নতুন প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জনবল নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ইউজিসিকে ফিরিয়ে দেওয়া এবং এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জনবল কাঠামো দ্রুত অনুমোদন করার দাবি জানিয়েছে।
ইউজিসি সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের নেতারা ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করে এসব দাবি করেন। তারা দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক স্বল্পতা এবং মানসম্পন্ন শিক্ষকের সংকট চলছে বলে জানান। নতুন প্রতিষ্ঠিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং আরও কিছু চালুর অপেক্ষায় থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় শিক্ষকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানো ছাড়া এ মুহূর্তে শিক্ষক সংকট মোকাবেলা করা যাবে না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগের ক্ষমতা বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে নতুন ও পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমের গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ ইউজিসিকে জানিয়েছে। তাদের যুক্তি হচ্ছে, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘ ও মন্থর।
এসব বিষয় প্রসঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই বয়সসীমা থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের আলাদা বেতন স্কেল নেই। অধ্যাপক হিসেবে মূল পদের বেতনেই এ পদে তারা নিয়োগ পান। অথচ এসব পদধারী বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এ জন্য তাদের আলাদা সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার। বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের পক্ষ থেকে ইউজিসিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ইউজিসি এ বিষয়ে একমত হয়েছে বলে প্রফেসর মেসবাহউদ্দিন জানান।
শিক্ষকতার বয়সসীমা অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ বছর ও কয়েকটিতে ৬৫ বছর হওয়ার কারণে উচ্চশিক্ষার শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য বিরাজ করছে উল্লেখ করে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইউজিসির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সুপারিশ করা হবে। ঝুঁকি ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের ঝুঁকি ভাতা দেওয়া উচিত। বিচার বিভাগসহ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের জন্য মূল বেতনের ৩০ শতাংশ সম্মানী দেওয়ার বিধান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি প্রধান পদ উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদের শিক্ষকদের জন্য সম্মানী দেওয়ার ব্যাপারটি ভেবে দেখা হচ্ছে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষরা ঝুঁকি ভাতা পাবেন। বাড়ছে সব শিক্ষকের চাকরির বয়সসীমাও। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন 'বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ'-এর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এ ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হয়ে তা বাস্তবায়নে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
ইউজিসি সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষের কোনো ধরনের ভাতা বা সম্মানীর বিধান নেই। তারা তাদের নিজ নিজ বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। ইউজিসি ওই তিনটি নির্বাহী পদের শিক্ষকদের ৩০ শতাংশ ঝুঁকি ভাতা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে।
বর্তমানে ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশে পরিচালিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির বয়স ৬৫ বছর। দেশের অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষকদের চাকরির বয়সসীমা এখনও ৬০ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদগুলোতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা পদ-পদবি, বাড়ি-গাড়ি ও সম্মান ছাড়া আর কোনো আর্থিক সুবিধা পান না। অথচ হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ও প্রতিটি ক্যাম্পাসে দেড় ডজনেরও বেশি ছাত্র সংগঠনকে নিয়ে প্রতিনিয়ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পরিচালনা করতে হয়। সংঘর্ষ, হামলা, মারামারির মধ্যে তাদের ছুটে যেতে হয় সেগুলো থামাতে। এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেও তারা কোনো ঝুঁকি ভাতা পান না। এ জন্য 'বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ' সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে ঝুঁকি ভাতা প্রদান, নতুন প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জনবল নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ইউজিসিকে ফিরিয়ে দেওয়া এবং এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জনবল কাঠামো দ্রুত অনুমোদন করার দাবি জানিয়েছে।
ইউজিসি সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের নেতারা ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করে এসব দাবি করেন। তারা দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক স্বল্পতা এবং মানসম্পন্ন শিক্ষকের সংকট চলছে বলে জানান। নতুন প্রতিষ্ঠিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং আরও কিছু চালুর অপেক্ষায় থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় শিক্ষকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানো ছাড়া এ মুহূর্তে শিক্ষক সংকট মোকাবেলা করা যাবে না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগের ক্ষমতা বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে নতুন ও পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমের গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ ইউজিসিকে জানিয়েছে। তাদের যুক্তি হচ্ছে, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘ ও মন্থর।
এসব বিষয় প্রসঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই বয়সসীমা থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের আলাদা বেতন স্কেল নেই। অধ্যাপক হিসেবে মূল পদের বেতনেই এ পদে তারা নিয়োগ পান। অথচ এসব পদধারী বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এ জন্য তাদের আলাদা সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার। বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের পক্ষ থেকে ইউজিসিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ইউজিসি এ বিষয়ে একমত হয়েছে বলে প্রফেসর মেসবাহউদ্দিন জানান।
শিক্ষকতার বয়সসীমা অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ বছর ও কয়েকটিতে ৬৫ বছর হওয়ার কারণে উচ্চশিক্ষার শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য বিরাজ করছে উল্লেখ করে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইউজিসির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সুপারিশ করা হবে। ঝুঁকি ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের ঝুঁকি ভাতা দেওয়া উচিত। বিচার বিভাগসহ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের জন্য মূল বেতনের ৩০ শতাংশ সম্মানী দেওয়ার বিধান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি প্রধান পদ উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদের শিক্ষকদের জন্য সম্মানী দেওয়ার ব্যাপারটি ভেবে দেখা হচ্ছে।
রেটিং দিন :
( এই লেখাটি পড়েছেন : ৬৪৫ জন )
সম্পাদক: গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
Powered By:orangebd

