মঙ্গলবার | ঢাকা ১৭ নভেম্বর ২০০৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪১৬ | ২৮ জিলকদ ১৪৩০
সার্চ
আর্কাইভ
দিন :
মাস :
সাল :
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক -এর আর্কাইভ
ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও অধিকার বিশ্বজনীন
1.20%
 
গড় রেটিং:
 
রেটিং :
Bookmark and Share
চীনে ছাত্রদের উদ্দেশে ওবামা
সমকাল ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও অধিকার একটি সর্বজনীন বিষয়। তাই প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই তা নিশ্চিত করা উচিত। ৩ দিনের চীন সফরে গিয়ে গতকাল সাংহাই নগরীতে এক ছাত্রসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। পরে ওবামা বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট হু জিন তাওয়ের সঙ্গে এক নৈশভোজে মিলিত হন। আজ পৃথিবীর দুটি বৃহৎ দেশের দুই রাষ্ট্রধান এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হবেন। খবর বিবিসি, রয়টার্স, এএফপি ও আল-জাজিরা অনলাইনের।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পূর্ব এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে বর্তমানে চীনে রয়েছেন। গত শুক্রবার জাপানে পা রাখার মাধ্যমে তার এই সফর শুরু হয়। সিঙ্গাপুরে এপেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান শেষে গত রোববার চীনে পেঁৗছেন তিনি। গতকাল সাংহাই নগরীর সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি মিউজিয়ামে ছাত্রদের এক সমাবেশে যোগ দেন। সেখানে ভাষণে ওবামা কোটি কোটি মানুষের দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য চীনের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। তিনি অতীতকে বিবেচনায় না এনে দু'দেশের মধ্যকার বল্পুব্দত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতি জোর দেন। দুটি শক্তিধর দেশের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক কামনা করে ওবামা বলেন, বেইজিং এবং ওয়াশিংটনের মধ্যকার সুন্দর সম্পর্ক বিশ্বকে আরও শান্তিপূর্ণ ও অর্থবহ করে তুলবে। মানবাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মত প্রকাশ, ধর্মীয় স্বাধীনতা, অবাধ তথ্য প্রবাহ এবং রাজনৈতিক তৎপরতাকে আমরা বিশ্বজননীন অধিকার বলেই মনে করি। জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুসহ সব মানুষের জন্য এই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, জাতি হিসেবে আমরা পরামর্শদাতা হতে পারি; নির্দেশক নই। সাংহাই থেকে আল-জাজিরার সংবাদদাতা মেলিসা চান জানান, ওবামা তার ভাষণে সমতার ভিত্তিতে রচিত যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের উদাহরণ টানেন। তিনি তিব্বত ও উইগুরের প্রতি ইঙ্গিত দিলেও নাম উচ্চারণ করেননি। ছাত্রদের প্রশ্নোত্তর পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন বেশ সতর্ক। চীনকে আক্রমণ না করেই প্রশ্নের জবাব দেন। এক প্রশ্নের জবাবে ওবামা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন_ দুটি স্বতন্ত্র ধারার দেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই অনুষ্ঠান সাংহাইয়ের একটি স্থানীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
সাংহাই থেকে প্রেসিডেন্ট ওবামা বেইজিংয়ে যান। রাতে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নৈশভোজে মিলিত হন। আজ চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তিনি শীর্ষ বৈঠকে বসবেন। দু'দেশের বাণিজ্যিক ভারসাম্য ছাড়াও তাদের আলোচনায় ইরান ও উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার বিষয় স্থান পাবে বলে জানা গেছে। চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ওবামা ইতিমধ্যেই তার উদ্বেগ ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া বহু মানবাধিকার সংগঠনও চাচ্ছে, বিষয়টি শীর্ষ বৈঠকে উত্থাপিত হোক। এক অনলাইন জরিপে দেখা গেছে, চীনের ৮০ শতাংশ লোক মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র চায় না, তাদের দেশের উত্থান ঘটুক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা কোনো দেশের ওপর কোনো ধরনের সরকার ব্যবস্থা চাপিয়ে দিতে চাই না। এবং এখন আমরা যে নীতিমালার পক্ষে আছি, সেটাই যে চূড়ান্ত কিছু, তাও আমরা বিশ্বাস করি না।
রেটিং দিন :
 
( এই লেখাটি পড়েছেন : ৬৮৫ জন )
 
আপনার মতামত দিন
*
*
Bangla Unijoy
Bangla Probhat
Bangla Phonetic
Bangla Phonetic Int.
English
*
* আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন
 
সম্পাদক: গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল :
info@samakal.com.bd
Powered By:orangebd