মঙ্গলবার |
ঢাকা ১৭ নভেম্বর ২০০৯ |
৩ অগ্রহায়ণ ১৪১৬ |
২৮ জিলকদ ১৪৩০
আন্তর্জাতিক
সমকাল ডেস্ক
পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) কোটি কোটি ডলার পেয়ে আসছে সিআইএর কাছ থেকে। ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর জঙ্গিদের আটক কিংবা হত্যা করার কর্মসূচি বাবদ তাদের এ পর্যন্ত যে পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থার বার্ষিক বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ বলে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় একটি পত্রিকার সংবাদে বলা হয়েছে। খবর জি নিউজ অনলাইনের।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে দ্য লসঅ্যাঞ্জেলেস টাইমস পত্রিকা জানিয়েছে, আইএসআইকে প্রদত্ত অর্থ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভ্যন্তরে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত তালেবান এবং পাকিস্তানে অবস্থানরত আল কায়দা সদস্যদের সঙ্গে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থাটির যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে। তবু আমেরিকান কর্মকর্তারা আইএসআইকে আর্থিক সাহায্য করছে তাদের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করার কারণে। পত্রিকার সংবাদে বলা হয়, চলতি দশকে প্রায় প্রতিটি জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় পাকিস্তানের মাটিতে_ উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায়। আর সেখানকার প্রাথমিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে আইএসআই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। একজন সাবেক উচ্চপদস্থ আমেরিকান গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আইএসআইকে নিয়ে বিতর্ক প্রতি বছরই হয়। তারপরও প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের আমলে তাদের সাহায্য দেওয়া হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ওবামার আমলেও সেটা অব্যাহত রয়েছে। সংবাদে বলা হয়, সিআইএর কাছ থেকে পাওয়া অর্থ আইএসআই বিভিন্ন খাতে ব্যয় করছে। ওই অর্থে ইসলামাবাদে নতুন সদর দফতর নির্মাণও করা হয়েছে। পাকিস্তানে কাজ করেছেন সিআইএর এমন এক সাবেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইএসআই তাদেরকে ৬০০ থেকে ৭০০ জঙ্গি আটক বা হত্যা করতে সাহায্য করেছে।
পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) কোটি কোটি ডলার পেয়ে আসছে সিআইএর কাছ থেকে। ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর জঙ্গিদের আটক কিংবা হত্যা করার কর্মসূচি বাবদ তাদের এ পর্যন্ত যে পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থার বার্ষিক বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ বলে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় একটি পত্রিকার সংবাদে বলা হয়েছে। খবর জি নিউজ অনলাইনের।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে দ্য লসঅ্যাঞ্জেলেস টাইমস পত্রিকা জানিয়েছে, আইএসআইকে প্রদত্ত অর্থ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভ্যন্তরে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত তালেবান এবং পাকিস্তানে অবস্থানরত আল কায়দা সদস্যদের সঙ্গে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থাটির যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে। তবু আমেরিকান কর্মকর্তারা আইএসআইকে আর্থিক সাহায্য করছে তাদের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করার কারণে। পত্রিকার সংবাদে বলা হয়, চলতি দশকে প্রায় প্রতিটি জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় পাকিস্তানের মাটিতে_ উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায়। আর সেখানকার প্রাথমিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে আইএসআই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। একজন সাবেক উচ্চপদস্থ আমেরিকান গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আইএসআইকে নিয়ে বিতর্ক প্রতি বছরই হয়। তারপরও প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের আমলে তাদের সাহায্য দেওয়া হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ওবামার আমলেও সেটা অব্যাহত রয়েছে। সংবাদে বলা হয়, সিআইএর কাছ থেকে পাওয়া অর্থ আইএসআই বিভিন্ন খাতে ব্যয় করছে। ওই অর্থে ইসলামাবাদে নতুন সদর দফতর নির্মাণও করা হয়েছে। পাকিস্তানে কাজ করেছেন সিআইএর এমন এক সাবেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইএসআই তাদেরকে ৬০০ থেকে ৭০০ জঙ্গি আটক বা হত্যা করতে সাহায্য করেছে।
রেটিং দিন :
( এই লেখাটি পড়েছেন : ৬৪০ জন )
সম্পাদক: গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
Powered By:orangebd

