শুত্রুবার |
ঢাকা ২৭ নভেম্বর ২০০৯ |
১৩ অগ্রহায়ণ ১৪১৬ |
৯ জিলহজ ১৪৩০
সম্পাদকীয়
আগামীকাল শনিবার বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ উৎসব এ দিনটি ইবাদতের এবং একইসঙ্গে উৎসবের। এ ইবাদত সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সম্মিলন, সম্প্রীতি ও আনন্দের ভেতর দিয়ে প্রতিপালিত হয়। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা_ এ দুই উৎসবের সময় লাখ লাখ নারী-পুরুষ-শিশু চলে যায় বাংলাদেশের নানা শহর-বন্দর-গ্রামে। চেনাজানা প্রিয় মুখগুলোর উপস্থিতিতে জেগে উঠেছে নানা জনপদ। তারা পরস্পরের কুশল বিনিময় করে এবং একইসঙ্গে ঘটে থাকে মতের আদান-প্রদান। একটি মহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সুযোগে এ ধরনের সামাজিক সম্মিলন এ উৎসবকে আরও মহিমান্বিত করে তোলে। আমাদের সমাজের এ এক অনন্যবৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ ধর্মীয় উৎসবকেও পরিণত করতে পেরেছে সামাজিক উৎসবে। সবাই ছুটে যেতে চায় শিকড়ের সন্ধানে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস ও বৈচিত্র্যময় পেশায় যুক্ত মানুষের মধ্যে ঘটে মত-পথ-ভাবের আদান-প্রদান। দেশ ও দশের কল্যাণে কিছু করার আন্তরিক আগ্রহও অনেকে ব্যক্ত করেন। এ ধারা যত প্রসারিত ও গভীরতর হবে, দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধি এবং সামাজিক শান্তি-স্থিতিও তত জোরালো হবে। এ মহত্তম ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে তাই এটাই কাম্য যে, সামাজিক কিংবা পারিবারিক যে পরিবেশেই হাজির থাকুন না কেন, মনে রাখতে হবে সবার কল্যাণের কথা।
ঈদুল আজহার অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে কোরবানি। আল্লাহর নামে পশু কোরবানি করা এ ইবাদতের আনুষ্ঠানিকতা। যে মুসলমান আর্থিকভাবে কোরবানি করার সামর্থ্য রাখেন, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। পর্যাপ্ত সম্পদের অধিকারী নন এমন ব্যক্তিও কোরবানি করতে পারেন_ সেটা ঐচ্ছিক বা নফল কোরবানি। কোরআন মজিদে ইরশাদ হয়েছে : 'আমার নিকট কোরবানির পশুর রক্ত-মাংস পেঁৗছায় না, আমি দেখতে চাই অন্তরের তাকওয়া বা দায়িত্বনিষ্ঠতা।' কোরবানি আসলে সত্যের প্রতি জীবন ও সম্পদ সমর্পণ করার এক মহৎ প্রতীকী আয়োজন। কোরবানি লোক দেখানোর বিষয় নয়, নেহাত মাংস ভোজন বা পশুর রক্ত প্রদর্শনের বিষয় নয়। কোরবানি হচ্ছে মহান স্রষ্টা আল্লাহর কাছে বান্দার ত্যাগের মাধ্যমে দায়িত্বনিষ্ঠার পরিচয় তুলে ধরার এক অনুপম আনুষ্ঠানিকতা। মানুষ আল্লাহর মহান সৃষ্টি। সেই মানুষ নিজেকে সমর্পণ করে আল্লাহর কাছে। পশুর রক্ত প্রবাহিত করার মধ্য দিয়ে নিজের প্রিয় সম্পদ বিলিয়ে দেয় আল্লাহর রাহে। দায়িত্ব পালনের পরম প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে মানুষ মহান স্রষ্টার কাছে নিবেদন করে তার প্রাণের আকুতি। কোরবানির এ আনুষ্ঠানিকতা ইসলামের মাধ্যমে আমাদের কাছে এসেছে সভ্যতার এক শ্রেষ্ঠ আদিপুরুষ হজরত ইব্রাহিম (আ.) থেকে প্রাপ্ত ঐতিহ্য হিসেবে। ইব্রাহিম (আ.) তাঁর প্রাণপ্রিয় পুত্র ইসমাইলকে (আ.) আল্লাহর রাহে সমর্পণ করেছিলেন পশু কোরবানির মাধ্যমে। আমরা বিশ্বের সব শান্তিকামী মানুষ আজ কোরবানি বা ত্যাগের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে শান্তি, সহযোগিতা, প্রেম ও আনন্দের পরিবেশ গড়ে তুলি_ এটাই হোক পবিত্র ঈদুল আজহার প্রেরণা।
সমকালের অগণিত পাঠক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা, এজেন্ট, বিপণনকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।
ঈদুল আজহার অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে কোরবানি। আল্লাহর নামে পশু কোরবানি করা এ ইবাদতের আনুষ্ঠানিকতা। যে মুসলমান আর্থিকভাবে কোরবানি করার সামর্থ্য রাখেন, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। পর্যাপ্ত সম্পদের অধিকারী নন এমন ব্যক্তিও কোরবানি করতে পারেন_ সেটা ঐচ্ছিক বা নফল কোরবানি। কোরআন মজিদে ইরশাদ হয়েছে : 'আমার নিকট কোরবানির পশুর রক্ত-মাংস পেঁৗছায় না, আমি দেখতে চাই অন্তরের তাকওয়া বা দায়িত্বনিষ্ঠতা।' কোরবানি আসলে সত্যের প্রতি জীবন ও সম্পদ সমর্পণ করার এক মহৎ প্রতীকী আয়োজন। কোরবানি লোক দেখানোর বিষয় নয়, নেহাত মাংস ভোজন বা পশুর রক্ত প্রদর্শনের বিষয় নয়। কোরবানি হচ্ছে মহান স্রষ্টা আল্লাহর কাছে বান্দার ত্যাগের মাধ্যমে দায়িত্বনিষ্ঠার পরিচয় তুলে ধরার এক অনুপম আনুষ্ঠানিকতা। মানুষ আল্লাহর মহান সৃষ্টি। সেই মানুষ নিজেকে সমর্পণ করে আল্লাহর কাছে। পশুর রক্ত প্রবাহিত করার মধ্য দিয়ে নিজের প্রিয় সম্পদ বিলিয়ে দেয় আল্লাহর রাহে। দায়িত্ব পালনের পরম প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে মানুষ মহান স্রষ্টার কাছে নিবেদন করে তার প্রাণের আকুতি। কোরবানির এ আনুষ্ঠানিকতা ইসলামের মাধ্যমে আমাদের কাছে এসেছে সভ্যতার এক শ্রেষ্ঠ আদিপুরুষ হজরত ইব্রাহিম (আ.) থেকে প্রাপ্ত ঐতিহ্য হিসেবে। ইব্রাহিম (আ.) তাঁর প্রাণপ্রিয় পুত্র ইসমাইলকে (আ.) আল্লাহর রাহে সমর্পণ করেছিলেন পশু কোরবানির মাধ্যমে। আমরা বিশ্বের সব শান্তিকামী মানুষ আজ কোরবানি বা ত্যাগের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে শান্তি, সহযোগিতা, প্রেম ও আনন্দের পরিবেশ গড়ে তুলি_ এটাই হোক পবিত্র ঈদুল আজহার প্রেরণা।
সমকালের অগণিত পাঠক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা, এজেন্ট, বিপণনকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।
রেটিং দিন :
( এই লেখাটি পড়েছেন : ৪২৫ জন )
সম্পাদক: গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
Powered By:orangebd

