বৃহস্পতিবার |
ঢাকা ১৯ নভেম্বর ২০০৯ |
৫ অগ্রহায়ণ ১৪১৬ |
১ জিলহজ ১৪৩০
ব্রেকিং নিউজ :
ব্রেকিং নিউজ
আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চকিছুক্ষণ আগে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে আসামিদেরআপিল খারিজ করে হাইকোর্টের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখা হয়। ফলে এতে ১২আসামিরই ফাঁসির রায় বহাল থাকবে।
বঙ্গবন্ধু মামলার রায় ঘোষণা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে আছে বিচার প্রাঙ্গন। নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট এলাকা। র্যাব ও পুলিশের কড়া পাহারায় আদালতে ঢুকেছেন বিচারপতিরা।
বিচারক, আইনজীবীসহ প্রত্যেককে অন্তত: চার দফা নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে আদালত প্রাঙ্গনে প্রবেশ করতে হচ্ছে। পুরো এলাকায় বেশ কয়েক দফা ডগ স্কোয়াড নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। আদালত প্রাঙ্গনে নিশ্চিত করা হয়েছে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
দীর্ঘ ৩৪ বছর ৩ মাস পর হয়তো সেদিনের কলঙ্ক মোচনের সময় এসেছে জাতির সামনে। অধীর আগ্রহে ব্যাকুল পুরো জাতির চোখ এখন আদালতের দিকে।
বিচারপতি মো. তাফাজ্জল ইসলামেরনেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। এবেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন- মো. আবদুল আজিজ, বিজন কুমার দাশ, মো.মোজাম্মেল হোসেন ও সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।
সকাল ১১টায় এ মামলার আপিলেরদীর্ঘ প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করা হবে। দীর্ঘ ২৯ কার্যদিবস আসামি ও বাদীপক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে এ রায় ঘোষণা করা হচ্ছে। আর এটি হচ্ছে ১৫আগস্ট ভাগ্যের সহায়তায় বেঁচে যাওয়া (বিদেশে ছিলেন) বঙ্গবন্ধু কন্যাপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাসীন সময়ে।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার এ রায়েন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেছেন শেখ হাসিনা। সরকার পক্ষের আইনজীবীদেরও একই আশা। আসামিদের পক্ষের আইনজীবীরাও রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিতহবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যে রায় হবে তা আইনজীবী হিসেবে মেনে নেবেনবলে জানিয়েছেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য এক বেদনাময় দিন। একই সঙ্গে কলঙ্কেরও। যে মানুষটি অবহেলিত, নিষ্পেষিত পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের স্বাধীকার আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। অধিকারের প্রশ্নে কারা নির্যাতন সয়েছেন হাসি মুখে। বঙ্গবন্ধুর ক্যারিশমেটিক নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর উপহার হিসেবে অর্জিত হয় স্বাধীন ভূ-খণ্ড। বিশ্বব্যাপী নিজেদের পরিচয় দেয়ার ‘বাংলাদেশ’ নামকমানচিত্র। এ মানুষটিকে আমরা বাঁচতে দেয়নি। নির্মম বুলেটের আঘাতে তাঁকেসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেয়া হয় ১৫ আগস্ট।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আসামিপক্ষের আপিল আবেদনের ওপর শুনানির জন্য গত ৪ আগস্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়। পরদিন ৫ আগস্ট থেকে ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৯ কার্যদিবসে এ মামলার আপিল শুনানি শেষ হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে একই বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মুহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় ২৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে দীর্ঘ ১৫১ কার্যদিবসে ৬১ জনের সাক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকার দায়রা জজ গোলাম রসুল এ মামলার ২৩ আসামির মধ্যে ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড রায় দেন। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট এ ১৫ জনের মধ্যে ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে এবং তিনজনকে বেকসুর খালাস দেয়।
২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ জনের মধ্যে ৫ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এরা হলেন- লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মহিউদ্দিন আহম্মেদ (আর্টিলারি), মেজর (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ (ল্যান্সার) এবং মেজর (অব.) বজলুল হুদা।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্যরা নৃশংসভাবে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। তবে বিদেশ থাকায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।
এছাড়া বিভিন্ন দেশে ৬ আসামি পলাতক আছেন। তারা হলেন- লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশিদ (মধ্যপ্রাচ্যে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (পাকিস্তান), লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ চৌধুরী (যুক্তরাষ্ট্র), লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুর চৌধুরী (জার্মানি), ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ (ভারত) এবং রিসালদার মোসলেউদ্দিন (ভারত)। এদের মধ্যে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা গেছেন আজিজ পাশা।
বঙ্গবন্ধু মামলার রায় ঘোষণা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে আছে বিচার প্রাঙ্গন। নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট এলাকা। র্যাব ও পুলিশের কড়া পাহারায় আদালতে ঢুকেছেন বিচারপতিরা।
বিচারক, আইনজীবীসহ প্রত্যেককে অন্তত: চার দফা নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে আদালত প্রাঙ্গনে প্রবেশ করতে হচ্ছে। পুরো এলাকায় বেশ কয়েক দফা ডগ স্কোয়াড নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। আদালত প্রাঙ্গনে নিশ্চিত করা হয়েছে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
দীর্ঘ ৩৪ বছর ৩ মাস পর হয়তো সেদিনের কলঙ্ক মোচনের সময় এসেছে জাতির সামনে। অধীর আগ্রহে ব্যাকুল পুরো জাতির চোখ এখন আদালতের দিকে।
বিচারপতি মো. তাফাজ্জল ইসলামেরনেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। এবেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন- মো. আবদুল আজিজ, বিজন কুমার দাশ, মো.মোজাম্মেল হোসেন ও সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।
সকাল ১১টায় এ মামলার আপিলেরদীর্ঘ প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করা হবে। দীর্ঘ ২৯ কার্যদিবস আসামি ও বাদীপক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে এ রায় ঘোষণা করা হচ্ছে। আর এটি হচ্ছে ১৫আগস্ট ভাগ্যের সহায়তায় বেঁচে যাওয়া (বিদেশে ছিলেন) বঙ্গবন্ধু কন্যাপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাসীন সময়ে।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার এ রায়েন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেছেন শেখ হাসিনা। সরকার পক্ষের আইনজীবীদেরও একই আশা। আসামিদের পক্ষের আইনজীবীরাও রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিতহবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যে রায় হবে তা আইনজীবী হিসেবে মেনে নেবেনবলে জানিয়েছেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য এক বেদনাময় দিন। একই সঙ্গে কলঙ্কেরও। যে মানুষটি অবহেলিত, নিষ্পেষিত পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের স্বাধীকার আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। অধিকারের প্রশ্নে কারা নির্যাতন সয়েছেন হাসি মুখে। বঙ্গবন্ধুর ক্যারিশমেটিক নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর উপহার হিসেবে অর্জিত হয় স্বাধীন ভূ-খণ্ড। বিশ্বব্যাপী নিজেদের পরিচয় দেয়ার ‘বাংলাদেশ’ নামকমানচিত্র। এ মানুষটিকে আমরা বাঁচতে দেয়নি। নির্মম বুলেটের আঘাতে তাঁকেসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেয়া হয় ১৫ আগস্ট।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আসামিপক্ষের আপিল আবেদনের ওপর শুনানির জন্য গত ৪ আগস্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়। পরদিন ৫ আগস্ট থেকে ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৯ কার্যদিবসে এ মামলার আপিল শুনানি শেষ হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে একই বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মুহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় ২৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে দীর্ঘ ১৫১ কার্যদিবসে ৬১ জনের সাক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকার দায়রা জজ গোলাম রসুল এ মামলার ২৩ আসামির মধ্যে ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড রায় দেন। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট এ ১৫ জনের মধ্যে ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে এবং তিনজনকে বেকসুর খালাস দেয়।
২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ জনের মধ্যে ৫ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এরা হলেন- লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মহিউদ্দিন আহম্মেদ (আর্টিলারি), মেজর (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ (ল্যান্সার) এবং মেজর (অব.) বজলুল হুদা।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্যরা নৃশংসভাবে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। তবে বিদেশ থাকায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।
এছাড়া বিভিন্ন দেশে ৬ আসামি পলাতক আছেন। তারা হলেন- লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশিদ (মধ্যপ্রাচ্যে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (পাকিস্তান), লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ চৌধুরী (যুক্তরাষ্ট্র), লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুর চৌধুরী (জার্মানি), ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ (ভারত) এবং রিসালদার মোসলেউদ্দিন (ভারত)। এদের মধ্যে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা গেছেন আজিজ পাশা।
রেটিং দিন :
( এই লেখাটি পড়েছেন : ৩৭১০ জন )
সম্পাদক: গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
Powered By:orangebd

